দ্বিতীয় ভাগ: গ্রহ অস্ত কিভাবে হয় আর অস্ত চন্দ্রেরকি প্রতিকার ?
তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
শিষ্য: গুরুদেব, আপনি বলেছিলেন সূর্যের কাছে এলে গ্রহ অস্ত হয়ে যায়। কিন্তু কোন গ্রহ কতটা কাছে এলে তাকে অস্ত বলা হয়? এই নিয়মটা যদি একটু বিস্তারিত বলতেন।
গুরুদেব: শোন বৎস, সূর্য কেবল একটি গ্রহ নন, তিনি অক্ষয় শক্তির উৎস। তাঁর আলো ও তেজেই সমগ্র সৌরমণ্ডল প্রাণ পায়। সমস্ত গ্রহই তাঁর চারদিকে নিরন্তর পরিক্রমা করে।
শিষ্য: তাহলে কি সূর্যের কাছে গেলেই গ্রহের শক্তি কমে যায়?
গুরুদেব: ঠিক তাই। যখন কোনো গ্রহ সূর্যের অতিরিক্ত নিকটে চলে আসে, তখন সূর্যের অসীম তেজে তার নিজস্ব জ্যোতি যেন ম্লান হয়ে যায়। তখন সেই গ্রহ নিজের পূর্ণ শক্তিতে কাজ করতে পারে না। জ্যোতিষশাস্ত্রে এই অবস্থাকেই বলা হয় ‘অস্ত’।
শিষ্য: গুরুদেব, কোন গ্রহ কত ডিগ্রি কাছে এলে এই অবস্থা হয়?
গুরুদেব: মন দিয়ে শোন। প্রথমে চন্দ্রের কথা বলি। সূর্য থেকে প্রায় বারো ডিগ্রি বা তারও কম দূরত্বে এলে চন্দ্র অস্ত বলে গণ্য হয়।
শিষ্য: আর বৃহস্পতি?
গুরুদেব: বৃহস্পতি সূর্যের প্রায় এগারো ডিগ্রির মধ্যে এলে তার শক্তিও আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তখন তাকে অস্ত বলা হয়।
শিষ্য: বুধের ক্ষেত্রেও কি একই নিয়ম?
গুরুদেব: বুধের ক্ষেত্রে কিছু মতভেদ আছে। অনেক আচার্যের মতে, সূর্য থেকে তেরো ডিগ্রির মধ্যে এলেই বুধ অস্ত হয়। আবার অন্য একদল পণ্ডিত বলেন, বুধ তখনই প্রকৃত অর্থে অস্ত হয়, যখন সে সূর্যের সঙ্গে একই ডিগ্রি, একই অংশ, একই কলা ও একই বিকলায় এসে মিলিত হয়।
শিষ্য: তাহলে কোন মতটি গ্রহণ করা উচিত?
গুরুদেব: উভয় মতই শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। একজন জ্যোতিষীর উচিত নিজের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে বিচার করা। তবে আর-একটি বিষয় মনে রেখো—যদি বুধ বক্রী গতি নিয়ে চলতে থাকে, তাহলে সূর্যের প্রায় এগারো ডিগ্রির মধ্যেই তাকে অস্ত ধরা হয়।
শিষ্য: শুক্রের নিয়ম কী?
গুরুদেব: শুক্র সূর্যের প্রায় নয় ডিগ্রির মধ্যে এলে অস্ত হয়। কিন্তু যদি শুক্র বক্রী থাকে, তাহলে মাত্র সাত ডিগ্রির মধ্যেই তার অস্ত অবস্থা শুরু হয়ে যায়।
শিষ্য: শনি?
গুরুদেব: শনি সূর্যের প্রায় পনেরো ডিগ্রির মধ্যে এলে অস্ত বলে বিবেচিত হয়।
শিষ্য: আর মঙ্গল?
গুরুদেব: মঙ্গলের নিয়ম একটু ভিন্ন। সূর্যের প্রায় ষাট ডিগ্রির মধ্যে এলে মঙ্গলকেও অস্ত ধরা হয়।
শিষ্য: গুরুদেব, রাহু ও কেতুর ক্ষেত্রেও কি একই নিয়ম প্রযোজ্য?
গুরুদেব: না বৎস। রাহু ও কেতু ছায়াগ্রহ। এদের নিজস্ব কোনো দৃশ্যমান জ্যোতি নেই। তাই সূর্যের নিকটে এলেও এরা কখনও অস্ত হয় না। এই দুই গ্রহ সর্বদাই অস্তত্বের ঊর্ধ্বে।
শিষ্য: গুরুদেব, যদি কারও জন্মকুণ্ডলীতে চন্দ্র অস্ত হয়ে যায়, তাহলে তার জীবনে কী ঘটে?
অস্ত চন্দ্রের প্রভাব
গুরু: দেখ, যখন কারও কুণ্ডলীতে চন্দ্র অস্ত হয়, তখন তার জীবনে সব সময় অশান্তি লেগে থাকে। আর জেনে রাখো, এমন মানুষের মন সর্বদাই নেতিবাচক চিন্তায় ভরে থাকে। তার অন্তরে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ প্রায় থাকে না বললেই চলে। তাই তার মুখমণ্ডলও সব সময় মলিন ও বিষণ্ন দেখায়।
শিষ্য: গুরুদেব, এর কারণ কী?
গুরু: একটি কথা মনে রেখ, মানুষের হৃদয়, মন আর চিন্তার যদি কোনো পর্দা বা আয়না থাকে, তবে সেটাই তার মুখ।
হৃদয়ে যেমন অনুভূতি জাগে, মনে যেমন চিন্তার জন্ম হয়—
ঠিক তেমনই সেই আলো কিংবা অন্ধকার তোমার মুখে ফুটে ওঠে। তাই শাস্ত্রে বলা হয়েছে— "মন প্রসন্ন হলে শরীর তেজস্বী হয়ে ওঠে, যেন পর্বতের রাজা দীপ্তিমান হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।"
শিষ্য: গুরুদেব, এই শ্লোকটি কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
গুরু: এই বর্ণনা ভগবান হনুমানজী কে উদ্দেশ্য করেই বলা হয়েছে। যখন মানুষের মন আনন্দে ভরে থাকে—যখন হৃদয় সত্যিই প্রসন্ন থাকে— তখন তার মুখে স্বাভাবিকভাবেই এক অপূর্ব লালিমা ও জ্যোতি ফুটে ওঠে।
আর যখন মন গ্লানি, দুঃখ ও বিষাদে পূর্ণ হয়ে যায়— তখন সেই মুখে আর কোনো উজ্জ্বলতা থাকে না। বরং তাকে শুকিয়ে যাওয়া ফুলের মতো বিবর্ণ দেখায়।
শিষ্য: তাই বুঝি মানুষ কাউকে দেখে বলে, "আজ তোমাকে খুব মনমরা লাগছে?"
গুরু: হ্যাঁ। কারণ মুখমণ্ডলই হৃদয়ের দর্পণ। তুমি যতই অনুভূতি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করো— হৃদয়ের ভাব কখনও সম্পূর্ণ গোপন থাকে না।
শিষ্য: গুরুদেব, চন্দ্রের সঙ্গে মনের সম্পর্ক কেন এত গভীর?
গুরু: কারণ চন্দ্রই মনের কারক গ্রহ। বেদেও বলা হয়েছে— "চন্দ্রমা মনসো জাতঃ"—অর্থাৎ মনের উৎস চন্দ্র। আর মনই মানুষের সমস্ত পরিকল্পনার কেন্দ্র। তাই যখন চন্দ্র দুর্বল বা অস্ত হয়—তখন মানুষ ভালো পরিকল্পনা করতে পারে না।
যে কাজই শুরু করুক না কেন— কয়েক কদম এগোতেই সে হোঁচট খায়।
শিষ্য: গুরুদেব, চন্দ্র কি মায়েরও কারক?
গুরু: অবশ্যই। চন্দ্র মাতার কারক গ্রহ। তাই কুণ্ডলীতে চন্দ্র দুর্বল হলে মাতৃসুখ ব্যাহত হয়।
মা অসুস্থ হতে পারেন। মায়ের পূর্ণ স্নেহ ও আশীর্বাদও অনেক সময় পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে মাকে আজীবন কষ্ট ভোগ করতে হয়।
আবার মনে রেখো, চন্দ্র মনেরই কারক। তাই এমন মানুষ সঠিক পরিকল্পনাও করতে পারে না। চন্দ্র মানুষের উচ্চ চিন্তা ও মহান আদর্শেরও অধিপতি। তাই সেই উচ্চ ভাবনাও দুর্বল হয়ে পড়ে।
ফলে জীবনে অশান্তি স্থায়ী হয়ে যায়। মায়ের সঙ্গে সম্পর্কও ভালো থাকে না। মায়ের স্বাস্থ্যের ওপরও খারাপ প্রভাব পড়ে।
এমন মানুষ পৈতৃক সম্পত্তির পূর্ণ সুখও পায় না। সমাজ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা লাভ করতে পারে না।
শিষ্য: গুরুদেব, যদি অস্ত চন্দ্র মৃত্যুভাবে থাকে?
গুরু: তাহলে এমন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ডিপ্রেশনে ভুগতে পারে। যদি চন্দ্র শনির সঙ্গে যুক্ত হয়—তবে বিষযোগ সৃষ্টি হয়।
যদি রাহুর সঙ্গে যুক্ত হয়— তাহলেও অশুভ ফল দেয়। এমন মানুষ সিদ্ধান্তই নিতে পারে না। আর যদি কেতুর সঙ্গে যুক্ত হয়—তখন গ্রহণযোগ সৃষ্টি হয়।
শিষ্য: গুরুদেব, অস্ত চন্দ্র কি নানা রোগও সৃষ্টি করে?
গুরু: হ্যাঁ বৎস, নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি হতে পারে। সবাই মনে করে দীপাবলিই ভারতের সবচেয়ে শুভ দিন। দীপাবলি সম্পর্কে খারাপ কিছু বলার সুযোগ নেই। তাই মানুষ অধীর আগ্রহে দীপাবলির অপেক্ষা করে। কিন্তু আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে একটি কথা বলছি। যদি কোনো শিশুর জন্ম দীপাবলির দিন, অর্থাৎ অমাবস্যায় হয়— তবুও তার জীবন সংগ্রামে পূর্ণ হতে পারে।
কারণ সেই দিন চন্দ্র অস্ত অবস্থায় থাকে। এতে দীপাবলির মাহাত্ম্য কোনোভাবেই কমে না। সেই দিন মহালক্ষ্মীর আগমন হয়—এ কথা শাস্ত্রসম্মত। সেই দিনের পূজাও অত্যন্ত শুভফলদায়ক।
কিন্তু শুধু দীপাবলির দিনে জন্ম হয়েছে বলেই কেউ সারাজীবন লক্ষ্মীর বিশেষ কৃপাপ্রাপ্ত হবে— এমন ধারণা সঠিক নয়।
চন্দ্র দুর্বল হলে রক্তের রোগ হতে পারে। রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে। শরীরে রক্তের ঘাটতি হতে পারে। ফুসফুসের সমস্যাও হতে পারে। মানসিক চাপ বাড়তে পারে। হাঁপানিও দেখা দিতে পারে। আর সবচেয়ে বড় বিষয়—উদ্বেগ ও ডিপ্রেশনের মতো মানসিক রোগ সাধারণত দুর্বল চন্দ্রের সঙ্গেই সম্পর্কিত।
যতক্ষণ চন্দ্র দুর্বল না হয়— ততক্ষণ এমন গভীর উদ্বেগ সহজে জন্ম নেয় না। আর একটি কথা মনে রেখো।
চন্দ্রই সমস্ত গ্রহের বীজ। যেমন বীজের মধ্যে সমগ্র বৃক্ষ লুকিয়ে থাকে— তেমনই চন্দ্রের মধ্যে অন্যান্য গ্রহের শক্তির বীজ নিহিত থাকে।
যদি চন্দ্র কর্কট রাশিতে নিজের ঘরে থাকে—এবং নবাংশেও নিজের নবাংশে অবস্থান করে—
তবে সে দরিদ্র পরিবারে জন্মালেও—আজীবন কুবেরের মত ঐশ্বর্য লাভ করতে পারে।
তার জীবনে ধন-সম্পদের অভাব থাকে না। সে কম পরিশ্রম করুক কিংবা বেশি—
ভাগ্য সর্বদাই তার প্রতি সহায়ক থাকে। এটি বহু বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা।
শিষ্য: গুরুদেব, যদি মনে হয় আমার চন্দ্র দুর্বল, মন সর্বদা অশান্ত থাকে, তাহলে তার প্রতিকার কী?
গুরু: প্রতিকার অবশ্যই আছে। তবে নিয়ম, নিষ্ঠা ও বিশ্বাসের সঙ্গে পালন করতে হবে।
যদি তোমার জন্মলগ্ন, পঞ্চম ভাব অথবা নবম ভাবের অধিপতি চন্দ্র হন, তাহলে শুদ্ধ শাস্ত্রবিধি মেনে সোমবার, শুক্লপক্ষে, রাত্রি আটটার সময় রূপোর আংটিতে বসানো একটি উৎকৃষ্ট মুক্তো ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে ধারণ করতে পারো।
কিন্তু যদি চন্দ্র এই শুভ ভাবগুলোর অধিপতি না হন, তবে প্রতিদিন শিবমন্দিরে গিয়ে শিবলিঙ্গে জল, দুধ, বেলপাতা নিবেদন করবে। ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য অর্পণ করবে এবং কর্পূরের আরতি করবে। সম্ভব হলে প্রতিদিন মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করবে।
আর যদি সত্যিই চন্দ্রকে অত্যন্ত শক্তিশালী করতে চাও, তবে এমন একটি সাধনার কথা বলছি যা হয়তো কোনো শাস্ত্রে পড়োনি, কারও মুখেও শোনোনি। এটি আমার পঞ্চাশ বছরের সাধনা ও অভিজ্ঞতার ফল।
প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় চব্বিশ মিনিট শান্ত হয়ে বসো। অনুভব করো—তোমার হৃদয়ের ওপর দিয়ে এক উজ্জ্বল, শীতল চন্দ্র ধীরে ধীরে বিচরণ করছে। সেই অনুভূতির সঙ্গে একাগ্রচিত্তে জপ করো—
"ওঁ সোম সোমায় নমঃ।"
বারবার এই মন্ত্র জপ করতে করতে চন্দ্রের শীতলতা হৃদয়ের গভীরে অনুভব করো। এই সাধনা যদি ছয় মাস নিয়মিত করতে পারো, তবে দেখবে জীবনের পরিবর্তন নিজেই অনুভব করবে।
এই শব্দশক্তি (সাউন্ড এনার্জি) এমনই যে, জন্মকুণ্ডলীতে চন্দ্র যেখানেই থাকুক না কেন, তার শুভ কম্পন তোমার হৃদয়ে জাগ্রত হবে। হৃদয়ে সেই শক্তি প্রতিষ্ঠিত হলে, যেন চন্দ্র তার উচ্চরাশি বৃষে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তখন তোমার পরিকল্পনা করার ক্ষমতা অসাধারণ হয়ে উঠবে। তুমি একজন দূরদর্শী পরিকল্পনাকারী হবে, আর তোমার রচিত পরিকল্পনা সহজে কেউ ভেঙে দিতে পারবে না।
তাই বলি, যদি মুক্তো ধারণ করেও আশানুরূপ ফল না পাও, যদি অন্য প্রতিকারেও নিরাশ হও, তবে "ওঁ সোম সোমায় নমঃ" অথবা "ওঁ নমঃ শিবায়" জপ করতে করতে হৃদয়ে বিচরণরত চন্দ্রের ধ্যান করো। কয়েকদিন নিষ্ঠার সঙ্গে এই সাধনা করলেই জীবনের পরিবর্তন অনুভব করবে।
অথবা শিবমন্দিরে শিবলিঙ্গের সান্নিধ্যে উত্তরমুখে বসে "ওঁ নমঃ শিবায়" মন্ত্র জপ করলেও আশ্চর্য ফল লাভ হতে পারে।
প্রতি সোমবার এক প্যাকেট দুধ, আধ কেজি চিনি এবং সামান্য চাল কোনো যোগ্য দরিদ্র বা অভাবী মানুষকে দান করো।
গলায় রূপোর চেন কিংবা হাতে রূপোর বালা ধারণ করতে পারো, তবে সেটি তখনই, যখন চন্দ্র প্রকৃতপক্ষে শুভ এবং লগ্ন, পঞ্চম বা নবম ভাবের অধিপতি। যদি চন্দ্র ষষ্ঠ, অষ্টম বা দ্বাদশ ভাবের অধিপতি হন, তাহলে এসব ধারণ করা উচিত নয়।
চন্দ্রের অশুভ প্রভাব হ্রাস করতে রূপোর গ্লাসে জল পান করতে পারো। দুধ ও দুধজাত খাদ্য বেশি করে গ্রহণ করাও উপকারী। তবে যদি জন্মকুণ্ডলীর দশম ভাবে চন্দ্র অবস্থান করেন, তাহলে রাত্রিবেলা দুধ পান করা উচিত নয়।
প্রতিদিন মা অথবা কোনো প্রবীণ নারীর চরণ স্পর্শ করে আশীর্বাদ গ্রহণ করো। পূর্ণিমার রাতে দেশি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে চন্দ্রদেবকে অর্ঘ্য নিবেদন করো।
আর একটি কথা বলি—এটি খুব বড় প্রতিকার না হলেও ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে উপকার দিতে পারে। যদি কোনো শিশুর চন্দ্র দুর্বল হয় এবং সে বারবার নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভোগে, তাহলে তাকে দ্বিমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করানো যেতে পারে। অথবা খিরনি গাছের মূল সাদা রেশমি সুতোয় বেঁধে তার গলায় পরিয়ে দিলে অনেক সময় উপকার পাওয়া যায়।
(ক্রমশ)
#Astrology
#VedicAstrology
#GuruShishya
#Chandra
#SpiritualWisdom
#JyotishShastra
#SanatanDharma
(ক্রমশ)
ভালো লাগলো জেনে 🙏🏻
ReplyDelete