Ami Tarashis Bolchi

Ami Tarashis Bolchi
The blog of Tarashis Gangopadhyay (click the photo to reach our website)

Sunday, 18 October 2015

JEEVAN THEKE MAHAJEEVANER POTHE

My new book JEEVAN THEKE MAHAJEEVANER POTHE has been published for all of you..

JEEVAN  THEKE  MAHAJEEVANER  POTHE

                                            by      TARASHIS GANGOPADHYAY

(This attractive book is a fascinating trip down the memory lane of a saint spiritual writer Tarashis Gangopadhyay, that tells us how he has been inspired by his Gurudeb, numerous saints and glorified souls since childhood to proceed towards the spiritual path from an ordinary path of life. It also tells us how he has been guided by his Ishta-Devata Lord Gopala throughout his journey of life upto his diksha and how his life has been shaped and moulded towards spirituality by Lord Gopala's grace)



http://spiritualbooksoftarashisgangopadhyay.blogspot.in/2015/10/item-name-jeevan-theke-mahajeevaner.html



Sunday, 4 October 2015

ঈশ্বরের কৃপা আমরা কেন অনুভব করতে পারিনা?

ঈশ্বরের কৃপা আমরা কেন অনুভব করতে পারিনা?
                                     - তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায় 


লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/


   অনেকেই বলেন -ঈশ্বর আমাদের দেখেন না। আমাদের থেকে দুরেই থাকেন কারণ তাঁর  কৃপা আমরা পাই না।কিন্তু তা কি সত্য?
  আমি তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলি - শীতকালে যখন প্রচন্ড ঠান্ডা নামে তখন আমরা আগুনের কাছে এসে বসি। এতে কি হয় ? আগুনের তাপ আমাদের উষ্ণতা যোগায় এবং আমাদের উপরে নেমে আসা শীতের প্রকোপ কাটিয়ে দেয়। কিন্তু আমরা যদি আগুনের থেকে দুরে গিয়ে বসি আর অনুযোগ করি যে আগুন আমাদের কৃপা করল না  সেটা কি আদৌ হাস্যকর নয়? একইরকম হাস্যকর এই কথাটিও যে ঈশ্বর আমাদের দেখেন না। আমরাই তো জোর করে তাঁর থেকে দুরে সরে থাকি। তাহলে আমরা কিভাবে ঈশ্বরের কৃপারূপ উষ্ণতা নিজেদের মাঝে অনুভব করব? ভেবে দেখুন তো - জাগতিক দরকার ছাড়া আমরা কি আদৌ তাঁকে স্মরণ করি ?আদৌ তাঁর শরণ নিই? তাঁর কাছে যাওয়ার জন্যে সাধনা না করলে,জপ না করলে,নাম না করলে,জীবে প্রেম না করলে কিভাবে তাঁর কৃপা অনুভব করব? কিছুই না করে ঈশ্বরের প্রতি অনুযোগ করলে তাঁর কৃপা অনুভব করা যায় না - কৃপা লাভ হয় তাঁর প্রীতির জন্যে যথার্থ ভালো কাজ করলে।  

Saturday, 26 September 2015

শরণাগতি

                                          শরণাগতি 

                                                      - তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায় 

লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/


    গীতায় ভগবান  শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন - 'সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ'। অর্থাত সব ধর্ম ত্যাগ করে আমার ভজনা কর। যুদ্ধের আগে অর্জুনের মনে ভয় ছিল যে যুদ্ধ করলে আত্মীয় বধের পাপ স্পর্শ করবে।  তাই ভগবান তাকে বলেন - 'ধর্মাধর্ম নিয়ে তুমি ভাবছ কেন? কার কি ধর্ম সেসব নিরুপনের ভার আমার উপর ছেড়ে দাও,আমার শরণ নাও। আর তারপর নিশ্চিন্তে যুদ্ধ কর। কারণ যুদ্ধ ক্ষত্রিয়ের ধর্ম। এটাই হল যথার্থ রণাগতি। সকাল ধর্মাধর্ম ঠাকুরের পায়ে সঁপে দিয়ে শরণাগত হওয়া আর তারপর নিজের কাজ করে যাওয়া। তবেই তো ঠাকুর এসে ধরবেন জীবনরথের রাশ। 
   প্রশ্ন উঠতে পারে - এই শরনাগতির  বৈশিষ্ট কি? এবার সেই আলোচনায় আসা যাক। 
  শরনাগতির প্রথম বৈশিষ্ট হলো  মনে নিশ্চিন্তভাব আনা।  ভক্ত যখন তাঁর সমস্ত কিছুর সাথে নিজেকেও ঠাকুরের পায়ে সমর্পণ করেন তখন তাঁর মনে নিজের জাগতিক বা পারলৌকিক কল্যানের চিন্তাও আসে না। তিনি ভাবেন না - কি খাব, কোথায় থাকব,কিভাবে আমার দিন কাটবে? যতক্ষণ না নিজের আমিত্বের ভাব কাটছে ততক্ষণ এই অবস্থা আসেনা। তাই ভক্তের চেষ্টা করতে হয় - মন,বুদ্ধি,ইন্দ্রিয় বা দেহ এসবে যেন 'আমার'ভাব ঢুকতে না পারে। আর তাকে ভাবতে হবে - যে আমি আসল আমি নই সেই আমিকে নিয়ে কেন ভাবব? ঠাকুর নিজেই তো বলেছেন গীতায়  ' মা শুচঃ',
অর্থাত চিন্তা কোর না। তাই চিন্তা করা মানে শরনাগতির অপমান। ভক্তকে ভাবতে হবে - আমার সবকিছুই ঠাকুরের আর আমিও তাঁর। তাই আমার কোন চিন্তা থাকতে পারে না। যে ভক্ত শরণাগতি নিয়েও চিন্তা করে ঠাকুর তাঁর তল্পি বইতে আসেন না কিন্তু যে শরণাগত ভক্ত নিজের সবকিছু ঠাকুরকে সমর্পণ করে নিষ্কাম হয়ে কর্ম করেন ঠাকুর একমাত্র তাঁর পাশেই এসে দাঁড়ান পরমানন্দে। 
                                                                             (ক্রমশঃ)

     

Saturday, 5 September 2015

জন্মাষ্টমীর উপহার

                     জন্মাষ্টমীর উপহার

                                  - তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায় 

লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/

আজ জন্মাষ্টমী। আমাদের প্রিয়তম গোপালসোনার জন্মদিন। আজকের দিনে আমরা গোপালকে কি উপহার দিতে পারি বল তো? বাঁশী হল তার সবচেয়ে প্রিয়। কিন্তু কাঠের বাঁশী নয় - আমাদের নিজেদের বাঁশীতে পরিণত করে তাঁকে উত্সর্গ করতে হবে। ভেবে দেখ - বাঁশী থাকে একদম সোজা -তার ভিতরে কোন বাঁকা বাঁক থাকে না। অর্থাত আমাদের নিজের মনটিকে ঠিক এরকম সোজা সরল করে তুলতে হবে। বাঁশীর ভিতরটি থাকে ফাঁপা - অর্থাত তার ভিতরে থাকে না কোন কামনা। এইসাথে বাঁশীর থাকে আটটি ছিদ্র - আমাদেরও দেহে রয়েছে এমনি আটটি ছিদ্র -বাইরের দিকে পঞ্চ ইন্দ্রিয় এবং ভিতরের দিকে মন,বুদ্ধি ও অহংকার। এই সব কিছু গোপালকে নিবেদন করে শুধু শরণাগত হতে হবে - তবেই আমরা তার কৃপা অনুভব করতে পারব আমাদের সবকিছুর মাঝে।তখনি তিনি আমাদের মধ্যে সুর ভরে দেবেন আর সেই বাঁশুরিয়া তখন বাজাবেন আমাদের যথার্থ বাঁশী বানিয়ে। সেই যে আমাদের আসল লক্ষ্য -তাঁর কৃপা আস্বাদ। জয়  গোপালসোনা। 

Monday, 31 August 2015

From The World Beyond Death


My only book translated into English till date .. U can now get this book via Sharanagoto.somproday

Monday, 24 August 2015

ঈশ্বর লাভের পথ (২)

                                   ঈশ্বর লাভের পথ (২)                                                                                               -- তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায়                                        ( পূর্ব প্রকাশিতের পর)

লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/

      এবার দেখা যাক কেন ভক্তিযোগ সর্বোত্তম। 
      জ্ঞানীরা সিদ্ধ হলে ঈশ্বরকে তত্বত জানেন এবং তাঁর ভিতরে প্রবিষ্ট হয়ে তাঁর মাঝে লীন হয়ে যান। কিন্তু তাঁদের ভগবান দর্শনের আকাঙ্খাও থাকেনা এবং তাঁরা সেই দর্শনও পান না। 
      যোগীরা সিদ্ধ হলে ঈশ্বরত্ব প্রাপ্ত হন এবং তাঁর সৃষ্টি স্থিতি লয়ের কর্মযজ্ঞে সামিল হন। এঁরাও সাধনের মাধ্যমে ঈশ্বরকোটি স্তর প্রাপ্ত হন। তখন ঈশ্বরদর্শনও তাঁরা যেমন লাভ করেন তেমনি তাঁর নির্দেশে জগতকল্যানের যজ্ঞেও  এঁরা ব্রতী হন। ক্রিয়ায়োগের পথিকৃত শ্যামাচরণ লাহিড়ি মহাশয় যেমন যোগসিদ্ধ হয়ে কৃষ্ণের দর্শন পেয়েছিলেন আবার তাঁর মাঝেই পেয়েছিলেন ১০ মহাবিদ্যার দর্শন। তবে তাঁরা ইষ্টের দর্শন আর তাঁর ঐশ্বর্য লাভ করলেও ভক্তি ছাড়া একটি বস্তুর আস্বাদ পান না -  তা হল লীলারস আস্বাদ। 
     আর ভক্তিমার্গের সাধকরা সিদ্ধ হলে ইশ্বরকে তত্বত যেমন জানতে পারেন তেমনি ভগবত দর্শন লাভ করেন আর তার চেয়েও বড় কথা তাঁরা লীলারস আস্বাদ করতে পারেন। 
      এই লীলারস আস্বাদ হয় ভগবতপ্রেমে। তাতে দুইরকম অবস্থার উল্লেখ মেলে। ভক্ত যখন ইষ্টের প্রেমে আপনার মাঝে ভাবের আবেশে ডুবে যান তখন ভক্তের অন্তরে প্রেমিক ভক্ত আর প্রেমাস্পদ ভগবান মিলেমিশে এক হয়ে যান। আবার যখন ভক্ত আপনার জাগতিক অবস্থায়  ফিরে আসেন তখন প্রেমিক ও প্রেমাস্পদ এক হয়েও লীলার প্রয়োজনে ধারণ করেন ভিন্ন রূপ। 
    শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতের মধ্যলীলায় ' মহাপ্রভু - রায় রামানন্দ সংবাদ'-এ এই সাধ্য সাধন তত্বের ব্যাখ্যা আমরা পাই। সেখানে সাধ্য তত্ব নিয়ে আলোচনার শেষে রায় রামানন্দ বলছেন -
     'ইহার মধ্যে রাধার প্রেম সাধ্য শিরোমনি। 
      যাঁহার মহিমা সর্বশাস্ত্রেতে  ব্যাখ্যানি। '
   এই প্রসঙ্গে যখন রায় রামানন্দ অদ্বৈত তত্বের উপর একটি গীত গাইতে গেলেন তখন মহাপ্রভু তাঁর মুখ চেপে ধরেন। কারণ সেই যে আসল মহাভাব। দিব্য অমৃত। সেই মহাভাবের বিবরণ আমরা পাচ্ছি কবির ভাষায় -
   'পহিলহি রাগ নয়নভঙ্গ ভেল। 
   অনুদিন বাড়ল  অবধি না গেল 
   ন সো  রমণ, ন হম রমণী।
   দুঁহু মন মনোভব পেসল জানি '
অর্থাত শ্রীরাধা বলছেন - দর্শনের পূর্বেই শ্রীকৃষ্ণে তাঁর প্রীতি জন্মেছিল। দৃষ্টি বিনিময়ের পর থেকে সেই প্রীতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর ধীরে ধীরে এই অঙ্কুরিত পূর্বরাগ বেড়ে চলে সীমা থেকে অসীমের পথে। দেখতে দেখতে শ্রীকৃষ্ণের রমণ- স্বরূপ আর শ্রীরাধার রমণীস্বরূপের ভেদ মিলেমিশে এক হয়ে যায় । আর সেই প্রেম দুজনের মনকে পেষণ করে অভিন্নে পরিনত করে। এই হল ভক্তির শ্রেষ্ঠ স্তর। পরবর্তীকালে এই মহাভাব আমরা দেখি স্বয়ং মহাপ্রভুর মাঝে। 
                                                (ক্রমশঃ)
     

Friday, 21 August 2015

ঈশ্বর লাভের পথ

                           ঈশ্বর লাভের পথ 

                                             -- তারাশিস গঙ্গোপাধ্যায় 

লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/


   সংসারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপিত হলেই মন অশান্ত হয় এবং মানুষ পরমার্থ থেকে দূরে চলে যেতে থাকে। তাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পথ দেখিয়েছেন পরম প্রাপ্তির। এই পরম প্রাপ্তির পথ তিনটি - কর্মযোগ,জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ। 
     এর মধ্যে কর্ময়োগের পথ বলছে - ফলের আশা ও কর্তৃত্বের অভিমান ত্যাগ করে সব কাজ ঠাকুরের কাজ মনে করে করতে থাক,এতেই সংসারে থেকেও সংসারচ্যুত হয়ে শান্তিতে ও আনন্দে থাকা যায়। 
    জ্ঞানযোগের পথ বলছে - আপন অন্তরাত্মার স্বরূপে স্থিত হলেই আসবে অখন্ড আনন্দ আর তাতেই লাভ হবে নির্বাণ। 
   ভক্তিযোগ বলছে - ভগবানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করলেই শুধু মহাভাব তথা অনন্ত আনন্দ লাভ হয়। 
   অর্থাত যে পথেই আমরা তাঁকে লাভ করতে চাইব,তাতেই শান্তি,তাতেই আনন্দ। তিনি যে আনন্দস্বরূপ,শান্তিস্বরুপ তথা আমাদেরও মূল স্বরূপ। তাই তিনটি পথই তাঁকে লাভ করার উত্তম সোপান। কিন্তু ভক্তিযোগ হল সর্বোত্তম।                                                                 ( চলবে)

Sunday, 16 August 2015

ঠাকুরকে পাওয়ার পথ নিষ্কাম ভালবাসা

                  ঠাকুরকে পাওয়ার পথ নিষ্কাম ভালবাসা 


লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/

আজকাল মানুষ ঠাকুরকে খোঁজে কেন যেন?যাতে তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ পূরণ হয়। আর এই স্বার্থের লক্ষ্যে ছুটতে গিয়ে সে উপলব্ধি করতে পারে না সেই পারমার্থিক ভালবাসা যা দিয়ে ইশ্বর ঘিরে রেখেছেন আমাদের সবাইকে। ঠিক যেমন সূর্যকে দেখা যায় তার নিজের আলোয় তেমনি ঈশ্বরের ভালোবাসাও পাওয়া যায় শুধু তাঁর ভালোবাসাকে উপলব্ধির মাধ্যমে আর সেই উপলব্ধি জাগে শুধু তাঁর প্রতি নিস্বার্থ ভালবাসার মাধ্যমে। সাধনা যতক্ষণ ব্যক্তিগত স্বার্থপূরণের জন্যে হয় ততক্ষণ সাধক হয়ত জাগতিক ঐসর্য পান কিন্তু তাঁকে পান না। একমাত্র যখন ঐশ্বর্যের মহ ভুলে নিষ্কাম ভালবাসায় সাধকের মন পূর্ণ হয় তখনি তিনি ঈশ্বরকে অনুভব করতে পারেন সেই ভালবাসারই মাধ্যমে।

Wednesday, 12 August 2015

মনকে বাসনামুক্ত করা প্রয়োজন

                          মনকে বাসনামুক্ত করা প্রয়োজন 

লেখকের website -  https://www.tarashisgangopadhyay.in/

বাসনা যতক্ষণ আমাদের ভোগাবে ততক্ষণ আত্মজ্ঞান আসবে না। কিন্তু বাসনাকে নির্মূল করা সহজ নয়। তাই প্রথমে সব অশুদ্ধ বাসনাকে মন থেকে দূর করতে হবে এবং শুদ্ধ বাসনায় মনকে পূর্ণ করতে হবে যা উত্তরণের সহায়ক। তারপর ক্রমে ক্রমে সেই শুদ্ধ বাসনাকেও কাটিয়ে উঠতে হবে। অর্থাত প্রথমে অশুদ্ধ বাসনাকে নির্মূল করতে হবে শুদ্ধ বাসনা দিয়ে এবং তারপর সেই শুদ্ধ বাসনাকেও কাটিয়ে উঠে মনকে করতে হবে বাসনামুক্ত। একমাত্র তখনি মনে আসবে শান্তি। আর সেই শান্তি নিজের ভিতরে জেগে উঠলে মন আপনা থেকেই খুঁজে পাবে আত্মজ্ঞানের পথ। 

Thursday, 6 August 2015

ভালবাসা করে কয় - ২

                                      ভালবাসা করে কয় - ২

মানুষ সাধারনতঃ শুধু নিজেকেই ভালবাসে। আর যাদের মধ্যে তার নিজের প্রতি ভালবাসার প্রতিফলন দেখে তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। অর্থাত সে নিজেকে যেভাবে দেখতে চায় যারা তাকে সেভাবে দেখছে তাদেরই সে ভালবাসে। অর্থাত কিনা,নিজের প্রতি ভালবাসার প্রতিফলন অন্যের চোখে দেখাই তার কাছে ভালবাসা। কিন্তু এখানেই প্রয়োজন একটু গভীরে যাওয়া। মানুষ যে নিজে বলতে শুধু  এই নামরূপ দেহটাকে বোঝে। সে যদি নিজে বলতে আত্মাকে বুঝত তাহলে এই আত্ম ভালবাসা তাকে দেখিয়ে দিত সিদ্ধির পথ। স্বয়ং পরমাত্মার অংশ যে বিরাজ করছে আমাদের সব রূপের মাঝে আর তাই তাঁর সকল রূপকে ভালোবাসলেই তাঁকেও ভালবাসা হয় আর নিজেকেও ভালবাসা হয়। কারণ নামরূপ দেহ অসংখ্য হলেও আত্মা তো সেই তাঁর সাথেই যুক্ত। সকল রথের রশি যে শুধু একই রথির হাতে।